ঢাবি’র আইআইটিতে চলছে ‘আইটিভার্স’ হ্যাকাথন

৩ নভেম্বর, ২০২৩ ১৭:৫৪  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের তথ্যপ্রযুক্তি উৎসব ‘আইটিভার্স’ এর প্রথম দুই দিন হয়েছে ভার্চুয়ালি। পাঁচ দিনের এ উৎসবের তৃতীয় দিন শুক্রবার সেই উৎসবের ঢেউ আছড়ে পড়লো ক্যাম্পাসে। একাডেমিক ভবনের ৩০৪, ৩০৫ এবং ৪০৬ নম্বর কক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হলো ২৪ ঘণ্টার হ্যাকাথন। চলবে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই তিন জনের ২৯টি দল জয় করতে ব্যস্ত থাকবেন ব্লকচেইন, ওপেন এপিআই চ্যালেঞ্জ ও ডেভ-অপস-এর নির্ধারিত চ্যালেঞ্জ।    

এর আগে ২৫ অক্টোবর বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়ে সেরার প্রতিযোগিতা করে প্রতিটি ক্যাটগরিতে চূড়ান্ত আসরের টিকিট পেয়েছিলো ১০টি করে দল। শুক্রবার তিন ক্যাটাগরির মধ্যে ডেভ-অপস ক্যাটাগরিতে একটি দল কম অংশ নেয়া মোট প্রতিযোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৬তে। প্রতিটি কক্ষে পাশাপাশি চার সারিতে বসে দলবেঁধে সেরা সমাধানকারী হওয়ায় মশগুল তারা। সবার সামনে একটি করে মনিটর। কারো কানে হেডফোন। কেউবা কফিতে চুমুক কিংবা চুইংগাম চিবুতে চিবুতে ভাবছেন আর কিবোর্ডের মাধ্যমে লিখছেন কোড; করছেন অ্যাপ্লিকেশনের নকশা।

কেউ আবার সমস্যার সমাধানে গুগল করার পাশাপাশি মেন্টরের সাহায্য নিচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর পর হ্যাকাথনে ঢু মারছেন ঢাবি আইআইটি পরিচালক ড. বিএম মইনুল হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড. আহমেদুল কবির, ইমন কুমার দে।

আয়োজক দলের সদস্য তাসনিম মাহফুজ নাফিস জানালেন, প্রতিযোগিদের কেউ বুয়েট, শাস্ট, আইইউটি, ঢাবি, জগন্নাথ, আইইউব্যাট, ব্র্যাক, আইএসটি, ইউএপি কিংবা চুয়েটের স্নাতক পড়ুয়া। এই দশটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হ্যাকাথনে একাধিক দল অংশ নিয়েছেন ঢাবি, আইইউটি, ব্র্যাক, বুয়েট এবং শাস্ট থেকে। প্রতিযোগিরা ব্লকচেইন হ্যাকাথনে একটি কমিউনিটি নির্ভর এমনটি ব্লকচেইন বা বিকেন্দ্রীকরণ প্লাটফর্ম তৈরি করছেন যেখানে সেরা ধারণা/পণ্য নির্বাচনে ভোট দেয়ার পাশাপাশি থেকে ডাচ অকশান মডেলে বেচা-কেনা করা যাবে। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন টিম ডিটারমাইনেশন দলের ইয়ামিন রাদ, জিরোএক্সজিরোজিরো দলের রেজাউল করিম, লিক্যুইড দলের নাজমুস সাকিব অপূর্ব, নিড অ্যাটেন্ডেন্স দলের নাজমুস সাকিব, বুয়েট বিক্রিপ্ট দলের মোহাম্মাদ তামিমুল, ব্লকবাস্টার দলের তানভির আহমেদ খান, চেইন রেসকিউআর দলের কৌশিক চৌধুরী, চেকাথন এর সাজ্জাদ হোসাইন, ট্রাস্টলেস ট্রেইল ব্লেজার্স এর প্রাঙ্গন চক্রবর্তী এবং ট্রিপল এ দলের অভিজিত পাল।   

অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং আইটি অপারেশন টিম যৌথভাবে যেন সর্বোত্তম আউটপুট দিতে পারেন সেজন্য কোডিং থেকে শুরু করে রক্ষণাবেক্ষণ এবং আপডেট পর্যন্ত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট চক্র জুড়ে চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া, সরঞ্জাম এবং পদ্ধতিগুলি সামগ্রিক প্রক্রিয়াটা মসৃণ করতে হ্যাকাথনে অংশ নিয়েছেন তরুণ ডেভলপাররা। এই ক্যাটাগরিতে ট্রিপল এ দলের আব্দুল্লাহ আল নোমান, বুয়েট ডেয়ারডেভিলস দলের আসিফ হায়দার, মুনশট এর আল মুবিন খান নাবিল, অনিকেত প্রান্তর এর আসিফ আজাদ, আইইউটি অর্চেসট্রেটর্স দলের সালমান আহসান, টম্যাটোস দলের মোখলেসুর রহমান, ডিইউ এমবি আলভি রেদুয়ান, আইইউটি ন্যাট’র মির্জা মুহাম্মাদ, হ্যাক মেভরিকস এর সাদমান সাকিব এবং ক্লাউড অপস এর মাহিদ আতিফ হোসাইন।       

পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান কর্পোরেট চাহিদার মোকাবিলায় ডেভঅপসদের জন্য ব্যবহারকারী বান্ধাব এবং ব্যবসায়ী খরচ সাশ্রয়ী এপিআই নিয়ে মশগুল হয়েছেন প্রতিযোগিরা। এরা হলেন- আইটি কোডগুরুস এর ইবনে বিন রাফিদ, থ্রি মাস্কটিরস এর মোমিনুল হক, পিংমি এর দীপশিখা দাস, সিএসইডিইউ এআরডি এর কাজী সাদমান সাকিব, টিম রেনেগেট এর তাসনিম ফেরদৌস, ওয়াল ই এর তানহাব হোসাইন, আনসার ইজ ৪২ এর মোকসেদুর রহমান, টিম ইউর ওর্সট নাইট মেয়ার এর সোম নাথ সাহা মৃদুল, আমরা লেট এর মাহমুদুর রহমান এবং ভ্যানগার্ড দলের ওশায়ার সিদ্দিক।  

https://digibanglatech.news/campus/115973/